Importance of Project & Research for Career Development

Importance of Project & Research for Career Development

 

গ্রাজুয়েশনের শেষ দিকে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য Project বা Research একটি গুরুত্বপুর্ণ অংশ। এই বিষয়টি ঠিক মত শেষ করা ছাড়া কোন ছাত্র-ছাত্রীরই গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন হয় না অর্থাৎ প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে তার নির্ধারিত Project বা Research সফলভাবে শেষ করতে হবেই আর অনেক সময় কোন একটি Project করতে করতেই ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনে চলে আসে ভাল ভাল সব Career Opportunity। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে আমাদের দেশের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়েই এই বিষয়টিকে ছাত্র-ছাত্রীরা খুবই অবহেলার চোখে দেখে। গ্রাজুয়েশনের শেষ পর্যায়ে থাকার কারণে অনেকেই এই বিষয়ে কোন রকম নাম্বার পেয়ে দায়সারা ভাবে পাস করে বেরিয়ে যেতে চায়। বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রীরা ঠিক মত জানেই না যে এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব কতখানি। এমনকি তাদের শিক্ষকরাও এই বিষয়গুলোর গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদের বোঝাতে ব্যর্থ হয় যার কারণে শিক্ষকদের অবহেলা ও ছাড় দেবার কারণে ছাত্র-ছাত্রীরাও আরো বেশী করে উৎসাহিত হয় এই বিষয়টিতে অমনোযোগী হতে।

প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়েই Semister এর শেষ দিকে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে তাদের Subject অনুযায়ী একটি Project বা Research করতে বলা হয়। Project করতে হবে নাকি Research, সেটি নির্ভর করে Department এর ঐ Subject এর উপর। কিছু কিছু Department এ Project ও কিছু কিছু Department এ Research করানো হয়। এখন যে সকল ছাত্র-ছাত্রীরা Project করে তাদের একটি নির্দিষ্ট সময় কোন একটি কোম্পানীতে বা কোন একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তির সাথে থেকে Internship এর মাধ্যমে তার Project এর ফলাফল জমা দিতে হয় এবং Projectটি হয় এমন কোন একটি Topic এর উপর যার মাধ্যমে ঐ ছাত্র-ছাত্রীটি নিজের Skill Development সহ খুব সহজেই চাকরীর বাজারের জন্য নিজেকে তৈরী করে নিতে পারবে। মূলত এ কথাটি বলার কারণ হচ্ছে, Project কখনো কেউ ঘরে বসে বসে করতে পারে না। একটি Project করতে হলে ছাত্র-ছাত্রীকে অবশ্যই Field এ কাজ করতে হয়। কোন একটি কোম্পানীতে নিয়মিত যাওয়া আসা ও কাজের মাধ্যমে ব্যবহারিক কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হয় আর এভাবে কাজ করতে করতে সেই ছেলে বা মেয়েটির Corporate Culture ও Activity সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান হয়ে যায়। অতঃপর সেই ছেলে বা মেয়েটি যদি নিজের Career নিয়ে সচেতন থাকে তবে সে চেষ্টা করে সেই কোম্পানীতেই তার কাজের মাধ্যমে একটি ভাল Reputation ও Network তৈরী করতে যেন গ্রাজুয়েশন শেষে সাথে সাথে ঐ কোম্পানীতেই সে যোগ দিতে পারে। আবার ঐ কোম্পানীতে যদি তার চাকরী নাও হয় তার পরেও সে তার Project চলাকালীন সময়ে Corporate Culture সম্পর্কে জ্ঞান, কাজ সম্পর্কে অভিজ্ঞতা ও কোম্পানীর সিনিয়র অফিসারদের সাথে যে Network তৈরী করতে সক্ষম হয় সেটিই তাকে সহায়তা করে পরবর্তীতে খুব সহজেই ভাল একটি কোম্পানীতে চাকরী পেতে। আর এর জন্য প্রয়োজন শুধু মাত্র চোখ কান খোলা রেখে সচেতন ভাবে মনোযোগ দিয়ে নিজের Project এর কাজটি করে যাওয়া। জীবনে কোনও অভিজ্ঞতাই কখনো বিফলে যায় না। Internship থেকে একটি ছাত্র-ছাত্রী যে পরিমাণ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে তা কোন একটি কোম্পানীতে চাকরী করার থেকে কোন অংশে কম নয়।

Project এর বদলে কোন কোন Department এর ছাত্র-ছাত্রীদেরকে Research পেপার জমা দিতে হয়। আজকালকার এই আধুনিক যুগে ছাত্র-ছাত্রীরা Research এর নাম শুনলেই তাদের মাথায় যে পদ্ধতিটি আসে সেটি হচ্ছে গুগল থেকে কপি ও পেস্ট করা। এটি আমাদের দেশের সিংহভাগ ছাত্র-ছাত্রীদের অনেক বড় একটি সমস্যা। প্রযুক্তি এখন হাতের মুঠোয় চলে আসায় এই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ছাত্র-ছাত্রীরা নষ্ট করছে নিজেদের মেধার বিকাশকে। এখন গুগলে যেকোন বিষয় সার্চ দিলেই তার উপর লেখা শত শত আর্টিকেল চলে আসে। আবার এখন বাজারে Ready Made Research পেপার কিনতেও পাওয়া যায়। টাকা দিলেই যেকোন Topic এর হরেক রকম Research পেপার একেবারে Footnote ও Reference সহ চোখের পলকে এক নিমিষেই চলে আসে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে। আর এসকল সুযোগগুলোকে কাজে লাগিয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা গুগলের নানান রকম আর্টিকেল থেকে কপি-পেস্ট করে ও বাজার থেকে পেপার কিনে নিয়ে এসে কোন রকম পরিশ্রম ছাড়াই পাস করে যাচ্ছে এই Subjectটিতে। যার ফলে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে এই Subjectটির সার্থকতা ও সেই সাথে ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যত।

Research অনেক গভীর একটি বিষয়। ছাত্র-ছাত্রীরা যদিও একে কপি-পেস্টের কাতারে নামিয়ে এনে ফেলেছে কিন্তু কপি-পেস্ট কখনোই একটি Research এর প্রকৃত প্রদ্ধতি নয়। Research একটি মানুষের জ্ঞানের পরিধীকে বৃদ্ধি করে। মানুষ কোন একটি বিষয় নিয়ে নতুন করে গভীরভাবে ভাবতে শেখে, নতুন নতুন জিনিস সম্পর্কে জানার কৌতুহল সৃষ্টি হয় মানুষের মাঝে। একটি বিষয়কে পুংখানুপুংখভাবে ভেঙ্গে চুরে গবেষণা করে সেই বিষয়টি থেকেই আবার নতুন একটি তত্ত্ব আবিষ্কার করতে সক্ষম হয় মানুষ এই Research এর মাধ্যমেই। সুতরাং Research মানে কোন ছেলে খেলা নয়। ছাত্র-জীবনে Research এর গুরুত্ব অপরিসীম। একজন ছাত্র বা ছাত্রী যখন কোন বিষয় নিয়ে Research করতে যায় তখন তাকে সেই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জ্ঞান লাভ করতে হয়। সেই বিষয়ে যত রকম Research এর আগে হয়েছে ও যত রকম আর্টিকেল লেখা হয়েছে সব কিছু নিয়ে তাকে পড়াশোনা করতে হয়। সেই বিষয়টি সম্পর্কে ব্যবহারিক জ্ঞান লাভের জন্য তাকে Field এ নামতে হয়। যেতে হয় নানান রকম জায়গায় তথ্য সংগ্রহ ও দেখে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য। আর এই কাজ গুলো কখনো ১/২ দিনে শেষ করা সম্ভব হয় না। তাকে লেগে থাকতে হয় দিনের পর দিন, মাঝে মাঝে তা মাসও পেরিয়ে যায়। এত সময় ধরে গবেষণা ও পরিশ্রমের পর সেই ছেলে বা মেয়েটি যে নতুন তত্ত্বটি আবিষ্কার করতে সক্ষম হয় বা যে নতুন সিদ্ধান্তে উপনিত হয় একমাত্র সেটিই হয় একটি প্রকৃত Research। আর ততদিনে ঐ ছেলেটি বা মেয়েটি হয়ে ওঠে Research এর সেই বিষয়টির একজন দক্ষ Expert। ঐ বিষয়টি সম্পর্কে সেই ছেলে বা মেয়েটির যে বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন হয় তা অন্য যে কোন মানুষের থেকে অনেক বেশী। অর্থাৎ কোন বিষয় সম্পর্কে যদি কেউ নিজেকে Expert এ পরিণত করতে চায় তবে সেই বিষয়ে Research ছাড়া আর অন্য কোন পথ নেই। 

একটি ভাল মানের Research পেপার একজন ছাত্র-ছাত্রীর জন্য সারা জীবনের সম্পদ। এই পেপারটি তার যে কোন উচ্চশিক্ষার সময় তার Value বৃদ্ধি করে। পাশাপাশি Research করতে গিয়ে সেই বিষয়টির উপর যখন একটি ছেলে বা মেয়ে Expert এ পরিণত হয় তখন সেই বিষয় সম্পর্কিত চাকরীর বাজারে সেই ছেলে বা মেয়েটির কদর থাকে সব থেকে বেশী কারণ আমরা জানি এখনকার বিশ্বে সার্টিফিকেটের থেকে Skill বা দক্ষতার মূল্য অনেক বেশী। ইতঃমধ্যে গুগল ও মাইক্রোসফটের মত কোম্পানী তাদের কোম্পানীতে যোগ্যতার বিচারে সার্টিফিকেটের পরিবর্তে দক্ষতাকেই প্রধাণ হিসেবে গুরুত্ব দিচ্ছে তাই এমন একদিন আসবে যখন বাংলাদেশ তথা সারা বিশ্বে সার্টিফিকেট শুধু মাত্র কয়েকটি সাধারণ কাগজ হিসেবে বিবেচিত হবে যার কোন আলাদা গুরুত্ব থাকবে না। গুরুত্ব থাকবে শুধু মাত্র তাদেরই যাদের দক্ষতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা আছে। আর এই দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য Project বা Research এর কোন বিকল্প নেই। একটি ছেলে বা মেয়ে যখন তার Project বা Research এর জন্য Topic ঠিক করতে চাইবে তখন তার অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে যেন সেই Topicটি শুধু একটি নাম মাত্র Topic না হয়ে যুগোপযোগী কোন বিষয় হয় যা তাকে সাহায্য করবে নিজের Career Developmentএ কিংবা যেন হয় চাকরীর বাজারের কোন Dependable Subject যার Expert এ পরিণত হয়ে খুব সহজেই একটি ভাল কোম্পানীতে ভাল অবস্থানে যাওয়া সম্ভব। তাই যে সকল ছাত্র-ছাত্রীরা অবহেলার মাধ্যমে তাদের Project বা Research সম্পন্ন করছে তারা বরং নিজেদের অলক্ষ্যেই তাদের জীবনের Career তৈরীর সব থেকে বড় সুযোগটি হাতছাড়া করে ফেলছে।

শিক্ষকদের কর্তব্য সব সময় ছাত্র-ছাত্রীদেরকে সঠিক পথ নির্দেশনা দেয়া। Project ও Research বিষয়টি যে ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনে কত বিশাল ভূমিকা পালন করতে পারে সেটার সম্পর্কে শিক্ষকদের উচিত ছাত্র-ছাত্রিদেরকে বোঝানো, সেই সাথে শিক্ষকদেরকেও কঠিন ভূমিকা পালন করতে হবে যেন তার অধীনে থাকা সকল ছাত্র-ছাত্রীরা সঠিক ভাবে সকল নিয়ম-কানুন মেনেই তাদের নিজ নিজ নিজ Project ও Research পেপার জমা দেয়। অনেক সময় শিক্ষকদের অবহেলার কারণে ছাত্র-ছাত্রীরাও উৎসাহিত হয় এসব বিষয়ে ছল-চাতুরীর আশ্রয় নিতে। তাই শিক্ষকেরা যদি সচেতন না হয় তাদের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যত সম্পর্কে তবে কখনই কোন ছেলে-মেয়ে পারবে না একটি সফল Career গঠণের মাধ্যমে জীবনে সফলতার চূড়ায় পৌছাতে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *